সিলেট বিভাগে কাদিয়ানী উপাসনালয়

সিলেট বিভাগ বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্ব থেকেই (অর্থাৎ পাকিস্তান আমল থেকেই) সাবেক সিলেট জেলা ছিল চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত। পরবর্তীকালে সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস কার্যক্রমের সূত্রে ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ১ আগস্ট চারটি জেলা নিয়ে বাংলাদেশের ষষ্ঠ বিভাগ সিলেট গঠিত হয়। এই বিভাগের মোট আয়তন ১২,৫৯৫.৯৫ বর্গ কিলোমিটার। সিলেট বিভাগ শিল্পদ্রব্য (সার, সিমেন্ট, সিলেট পাল্পস এন্ড পেপার মিলস,ছাতক, তড়িৎ), প্রাকৃতিক সম্পদ, খনিজ সম্পদ (গ্যাসীয় পদার্থ, তেল, পাথর, চুনাপাথর) ইত্যাদিতে ভরপুর। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এ বিভাগের ভূমিকা অপরিসীম।

ইসলামের ভিত্তিতে হযরত শাহ্ জালাল (রা.) যখন সিলেটে আসেন তখন তাঁর শত্রুরা তাঁকে পাথর বা শিল দ্বারা আগলে ধরে, তখন হযরত শাহ্ জালাল (রা.) আল্লাহ্‌ তায়ালার উসিলায় বলেন “শিলা হাট” (অর্থ্যাৎ “পাথর সরে যা”)। এই থেকেই নাম করণ করা হয় “শিলা হাট”। আস্তে আস্তে বানানকে সহজ করতে করতে “শিলহাট”, “সিলহেট”, “সিলেট”” নাম করণ করা হয়।

 

সিলেট বিভাগে ৪টি জেলা

  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ

 

সিলেট বিভাগে কাদিয়ানী উপাসনালয় – ৬ টি


হবিগঞ্জ-১টি

১. আহমদীয়া মসজিদ, গ্রাম জামালপুর, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

মৌলভীবাজার-১টি

১. আহমদীয়া মসজিদ, গ্রাম পাগুলিয়া, মুস্তফাপুর ইউ, সদর উপজেলা।

সুনামগঞ্জ-৪টি

১. আহমদীয়া মসজিদ, ইসলামগঞ্জ, গৌরারং ইউ, সদর উপজেলা।
২. উমেদপুর গ্রাম নামায কেন্দ্র, বেহেলী ইউ. জামালগঞ্জ উপজেলা।
৩. সেলবরষ নামায কেন্দ্র, সেলবরষ ইউ, ধর্মপাশা উপজেলা।
৪. মসজিদে মাসরূর, ইসলামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ (সিলেট হাওর অঞ্চল)।