ঢাকা বিভাগে কাদিয়ানী উপাসনালয়
ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী ও মহানগর বা বৃহত্তম শহর। প্রশাসনিকভাবে এটি ঢাকা বিভাগের ও জেলার প্রধান শহর। ভৌগোলিকভাবে এটি বাংলাদেশের মধ্যভাগে বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি সমতল অঞ্চলে অবস্থিত। ঢাকা দক্ষিণ এশিয়ায় মুম্বাইয়ের পরে দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনৈতিক শহর। ঢাকা একটি অতিমহানগরী বা মেগাসিটি; ঢাকা মহানগরীর মোট জনসংখ্যা ৪ কোটি ৪২ লাখ ১৫ হাজার ১০৭ জন, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১১ ভাগ। জনসংখ্যার বিচারে ঢাকা দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম শহর। জনঘনত্বের বিচারে ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহর; ৩০৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই শহরে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় ২৩ হাজার লোক বাস করে।
ঢাকা শহর “মসজিদের শহর” নামেও সুপরিচিত। এখানে প্রায় বিশ হাজারেরও বেশি মসজিদ আছে (ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর তথ্য মতে)। বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান সংস্কৃতি, শিক্ষা ও বাণিজ্যকেন্দ্র। সপ্তদশ শতাব্দীতে পুরান ঢাকা মুঘল সাম্রাজ্যের সুবা বাংলা (বাংলা প্রদেশ) এর প্রাদেশিক রাজধানী ছিল। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে এই শহর জাহাঙ্গীর নগর নামে পরিচিত ছিলো। বিশ্বব্যাপী মসলিন বাণিজ্যের একটি কেন্দ্র ছিলো ঢাকা এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীগণ এখানে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে আসতেন। ঢাকাতে বিশ্বের সেরা মসলিন কাপড় উৎপাদিত হতো। যদিও আধুনিক ঢাকা শহরের বিকাশ ঘটে ঊনবিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ শাসন আমলে, এই সময় নবাবগণ ঢাকা শাসন করতেন। এই সময় কলকাতার পরেই ঢাকা বাংলা প্রেসিডেন্সির দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী হয়ে ওঠে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের পরে ঢাকা নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পরে ঢাকা পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসনিক রাজধানীতে পরিণত হয়। ১৯৫০-১৯৬০ সালের মধ্যে এই শহর বিভিন্ন সামাজিক, জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। ১৯৭১ সালে ঢাকা “স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রাজধানী” ঘোষিত হয়। ইতঃপূর্বে সামরিক আইন বলবৎ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা, সামরিক দমন, যুদ্ধ ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের তাণ্ডবলীলার মতো একাধিক ঘটনার সাক্ষী হয় এই শহর।
ঢাকা বিভাগের মোট ১৩ টি জেলা
- নরসিংদী জেলা
- গাজীপুর জেলা
- শরীয়তপুর জেলা
- নারায়ণগঞ্জ জেলা
- টাঙ্গাইল জেলা
- কিশোরগঞ্জ জেলা
- মানিকগঞ্জ জেলা
- ঢাকা জেলা
- মুন্সিগঞ্জ জেলা
- রাজবাড়ী জেলা
- মাদারীপুর জেলা
- গোপালগঞ্জ জেলা
- ফরিদপুর জেলা
ঢাকা বিভাগে কাদিয়ানী উপাসনালয়ের সংখ্যা- ২২ টি
ঢাকা-৭
১. দারুত তবলীগ মসজিদ ও মিশনারী কমপ্লেক্স, বকশিবাজার।
২. আহমদীয়া মসজিদ, গ্রাম উত্তর বাহেরচর, তারানগর ইউ. কেরানীগঞ্জ উপজেলা, ঢাকা ।
৩. আহমদীয়া মসজিদ মিরপুর-২ নাসিমবাগ, ঢাকা-১২১৬।
৪. আল বাইতুল ইসলাম মসজিদ, তেজগাওঁ, ঢাকা।
৫. বায়তুল হাদী, ২৮৯ পূর্ব নাখালপাড়া, তেজগাঁও ঢাকা-১২১৫।
৬. মসজিদুল হুদা, পশ্চিম নন্দীপাড়া, ঢাকা-১২১৯।
৭. আহমদীয়া মসজিদ, আশুলিয়া, সাভার।
কিশোরগঞ্জ- ৮।
১. আহমদীয়া মসজিদ, কটিয়াদী উপজেলা।
২. মসজিদে হাদী, বীরপাইকশা, শাহেদল ইউ. হোসেনপুর উপজেলা।
৩. বেতাল আ. মস. বেতাল গ্রাম, মসূয়া ইউনিয়ন।
৪. তেরগাতী গ্রাম, মুমুরদিয়া ইউ. কটিয়াদী।
৫. গালিমগাজী, মহিনন্দ ইউ. সদর উপজেলা।
৬. হোসেনপুর আ. মস. হোসেনপুর উপজেলা।
৭. হোসেনপুর উপজেলার চরহাজীপুর গ্রামে আহমদীয়া নামাজ কেন্দ্র।
৮. বৈরাগীরচর হালকা আ. মস., মসূয়া ইউ. কটিয়াদী।
মুন্সিগঞ্জ-১টি
১. সদর উপজেলার রমজান বেগ আহমদীয়া মসজিদ, মুন্সিগঞ্জ।
নরসিংদী-১টি
১. মসজিদুল মাহদী, চরসিন্দুর ইউ. পলাশ, নরসিংদী।
নারায়নগঞ্জ-২টি
১. মসজিদ নূর, ফতুল্লা নারায়নগঞ্জ।
২. মিশনপাড়া আহমদীয়া মসজিদ, নবাব সলিমুল্লাহ রোড।
টাঙ্গাইল-২টি
১. চাঁনতারা আহমদীয়া মসজিদ, ঘাটাইল উপজেলা, টাঙ্গাইল।
২. বানিয়াজান আহমদীয়া মসজিদ, ধনবাড়ী উপজেলা।
গাজীপুর ১টি
১. জোরপুকুর পাড়, জয়দেবপুর, গাজীপুর মহানগর। এটি তাদের অস্থায়ী কার্যালয়। লোকেশনঃ জোরপুকুর পাড় মোড়ের ৫০ গজ উত্তরে, তালেব হাজী সাবের বাসার দক্ষিণ পাশে ‘খুকু’ নামের জনৈকার বাসা। তাদের স্থায়ী কার্যালয় হচ্ছে, রাজবাড়ী, জয়দেবপুর, গাজীপুর মহানগর। আর তাদের অস্থায়ী এবং স্থায়ী কার্যালয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব মাত্র অর্ধ কিলোমিটার। লোকেশনঃ রাজবাড়ী মাঠ সংলগ্ন গাজীপুর মহিলা কলেজের পূর্বপাশ হয়ে ‘সাফা টাউয়ার’ এর দক্ষিণে ও ‘সিনা মসজিদ’ সংলগ্ন।