খতমে নবুওয়ত মারকায বাংলাদেশ – “খতমে নবুওয়ত” আকীদা সংরক্ষণে কাদিয়ানী ফেতনা ও বাতিল ফেরকার মোকাবেলায় গবেষণামূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দাওয়াহ সংস্থা।

চলমান কার্যক্রম

  • দা‘ঈ ও মুনাযির গঠনের জন্য এক বছর মেয়াদী দা‘ওয়াহ বিভাগ।

  • খণ্ডকালীণ খতমে নবুওয়ত কোর্স আয়োজন।
  • “খতমে নবুওয়ত ও কাদিয়ানী মতবাদ শীর্ষক” মাসিক মুহাযারা/সেমিনার আয়োজন।
  • “মাসিক নূরে খতমে নবুওয়ত” নামক পত্রিকা প্রকাশ।
  • বই, পুস্তিকা, লিফলেট ও দাওয়াতপত্র প্রকাশ ও প্রচার।
  • দাওয়াতী জামাত প্রেরণ।
  • কাদিয়ানী অধ্যুষিত এলাকায় মুবাল্লিগ নিয়োগ প্রদান।
  • কাদিয়ানী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে মসজিদ ও মক্তব প্রতিষ্ঠা।

পরিচালক বৃন্দ

মাও. আব্দুল হাফিজ মাক্কী রহ.
মাও. আব্দুল হাফিজ মাক্কী রহ. শাইখুল হাদিস হযরতুল আল্লাম
প্রাক্তন আ’লমী আমীর, ইন্টারন্যাশনাল খতমে নবুওয়ত মুভমেন্ট।

মুফতী শুয়াইব ইবরাহীম
মুফতী শুয়াইব ইবরাহীমপ্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
আমীর, ইন্টারন্যাশনাল খতমে নবুওয়ত মুভমেন্ট, বাংলাদেশ।

ভবিষ্যত পরিকল্পনা

  • প্রতিটি কাদিয়ানী আস্তানার পাশে একটি করে মসজিদ, মক্তব ও খতমে নবুওয়ত শাখা মারকায প্রতিষ্ঠা করা।
  • নিয়মিত সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কনফারেন্স আয়োজন করা।
  • শিয়া, বাইঈ, বেরেলভী (বিদাতী) ও খ্রিস্টবাদ ফেতনার মোকাবেলায় স্বতন্ত্র দাওয়াহ বিভাগ চালু করা।
  • সকল ফেতনার মোকাবেলায় অনলাইন দাওয়াহ মিডিয়া চালু করা।
  • ইসলামে ফিরে আসা নওমুসলিমদের পুনর্বাসন ও আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলা।
  • উপর্যুক্ত কার্যক্রম সুচারুরূপে আঞ্জাম দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকায় নিজস্ব জমি গ্রহণ পূর্বক একটি পূর্ণাঙ্গ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা।

বৈশিষ্ট্যাবলি

* বিশিষ্ট মুফাক্কির ও গবেষক বরেণ্য আসাতেযায়ে কেরামের মশওয়ারায় পরিচালিত।
* প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও গবেষক আসাতেজায়ে কেরামের দরস ও নেগরানী।
* দরস ও মুতালা’র পাশাপাশি নিয়মিত ময়দানে দাওয়াতী সফর।
* সাপ্তাহিক সেমিনার, মুহাযারা ও বিতর্কানুষ্ঠান।
* কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও ইংরেজি শেখার আয়োজন।
* পর্যাপ্ত কিতাবাদি ও ছাত্র ভাতার ব্যবস্থা।

আর যে আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে কিংবা বলে, ‘আমার নিকট প্রত্যাদেশ (অহী) হয়’, যদিও তার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় না এবং যে বলে, ‘আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, আমিও ওর অনুরূপ অবতীর্ণ করব’, তার চেয়ে বড় যালেম আর কে? যদি তুমি দেখতে পেতে (তখনকার অবস্থা), যখন (ঐ) যালেমরা মৃত্যু যন্ত্রণায় থাকবে, আর ফিরিশতাগণ হাত বাড়িয়ে বলবে, ‘তোমাদের প্রাণ বের কর। আজ তোমাদেরকে অবমাননাকর শাস্তি দান করা হবে; কারণ তোমরা আল্লাহ সম্বন্ধে অন্যায় বলতে ও তাঁর আয়াত গ্রহণে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে।’ – আল আনাম(৯৩)