কাদিয়ানীবন্ধুকে ঈমানের দাওয়াত

নাম ইদ্রীস। জন্মসূত্রে কাদিয়ানী। তার বাবা-দাদাও জন্ম সূত্রে কাদিয়ানী৷ তার বাপ-দাদা কাদিয়ানী ধর্মের জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা ইদ্রিস পেশায় একজন রিকশা চালক। সেই সুত্রে তার সাথে পরিচয়। দীর্ঘ দেড় ঘন্টা তার সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রথমতঃ কাদিয়ানী ধর্মমত সম্পর্কে বিভিন্ন কথা তার কাছ থেকে শুনি৷

দ্বিতীয়তঃ আলোচনার একপর্যায়ে ঈমানের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে দাওয়াত দেই৷ পক্ষান্তরে ঈমান বিধ্বংসী কাদিয়ানীদের কুফরি মতবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝানোর চেষ্টা করি৷ মির্জা কাদিয়ানীর ধর্ম_কুফরি মতবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত৷ সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা দেই৷

☞দীর্ঘ আলোচনার চুম্বক অংশগুলো তুলে ধরছি

  • ইদ্রিস জন্মসূত্রে কাদিয়ানী। তার বাব-দাদাও জন্মসূত্রে কাদিয়ানী ছিলেন।
  • দরিদ্র পরিবার হওয়া সত্তেও প্রত্যেক মাসে ইদ্রিসকে ৪/১ ভাগ অর্থ/চাঁদা কাদিয়ানী ফান্ডে জমা দিতে হয়।
  • ইদ্রিসকে ইসলামের দাওয়াত দেয়ার সময় যখন বলা হয়,মির্জা গোলাম কাদিয়ানী নিজেকে প্রতিশ্রুত মাহদী,ঈসা মসীহ এবং নবী দাবি করেছেন; তখন ইদ্রিস তা অস্বীকার করে। এবং বলে এমনটা তিনি কেন করবেন? অতঃপর তাকে মির্যা কাদিয়ানীর লিখিত বই (কিশতিয়ে নূহ,রুহানী খাযায়েন,তাযকিরা) থেকে রেফারেন্স দেখানো হয়। রেফারেন্স দেখে সে রীতিমতো আশ্চর্য হয়৷ বিষয়টি বুঝতে পারে৷
  • ইদ্রিস বলেন – তিনি তাদের মুয়াল্লিমদের থেকে যাচাই করবেন যে, মির্জা কাদিয়ানী নবী,মাসিহ,ইমাম মাহদী দাবী করেছেন কি না?
  • সর্বশেষ আলোচনার মাধ্যমে ইদ্রিসের মনে ঈমানের সঞ্চার তৈরী হয় এবং বলে ভাই! বাপ-দাদা এই ধর্মের উপর ছিলো। তারা অনেক কষ্ট করেছে। এখন আমিতো আর চাইলেই আসতে পারবো না। আমারওতো পরিবার আছে৷

☞ স্বীকৃতি; আলোচনার শেষ পর্যায়ে তার মতামত হলোঃ
কেউ যদি সত্যি এমন নবী,মাসিহ,মাহদী দাবি করে, তবে তার ঈমান নেই।

আমরা ইদ্রিস ভাই’র জন্য অনেক দুআ করি। আল্লাহ যেন ঈমান বিধ্বংসী কাদিয়ানী ফেতনা থেকে ইসলামের ছায়াতলে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।

মুহাম্মদ ইসলাম

দা’ঈ ও মুবাল্লিগ