ঈমান রক্ষার্থে জনগুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট। শেয়ার করে সকল মুসলমানের কাছে পৌঁছাই।
যাতে কেউ কাদিয়ানীদের দ্বারা প্রতারিত না হয় ।
মদীনা শরীফে মুনাফিকরা রসুল সাঃ-এর যুগে মসজিদে যেরার নির্মাণ করেছিল । কিন্তু সেই মসজিদ নির্মাণ মুনাফিকদের কুফুরীকে ঢাকতে পারেনি। ইসলাম থেকে বিচ্যুতিকে আড়াল করতে পারেনি ।
তেমনি ভাবে কাদিয়ানীজামাত কর্তৃক জাতীয় জাদুঘরে কুরআন প্রদর্শন এটা তাদের কুফরী আকীদাকে ঢাকতে পারবেনা। ইসলাম থেকে তাদের ব্যাপক বিচ্যুতি আড়াল করতেও পারবে না । সে যুগে ও এযুগে প্রত্যেক কাফের ইসলাম থেকে বিচ্যুতিকে ঢাকার জন্য মসজিদ প্রদর্শন, কুরআন প্রদর্শনকেই বেছে নেয় । যুগ ভিন্ন হলেও কর্ম পন্থা অভিন্ন । ভুয়া সেনা সদস্য ইউনিফর্ম পরার অপরিহার্যতা প্রকৃত সেনা সদস্য থেকে একটু বেশিই অনুভব করে থাকে ।
কুফুরী আকীদা লালন করে শুধু কুরআন প্রদর্শন, এটা যদি কাউকে ইসলামের খাঁটি অনুসারী বানায় তাহলে ইহুদী খৃষ্টানরাও ইসলামের খাঁটি অনুসারী বলে স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য ; কেননা ইউরোপে অসংখ্য ওরিয়েন্টালিস্ট তথা প্রাচ্যবিদদের লাইব্রেরীতে হাজার হাজার কপি কুরআন প্রদর্শিত হচ্ছে । দর্শনার্থীরা সেগুলো দেখছে ; কিন্তু খ্রিস্টান খ্রিস্টানই থেকে যাচ্ছে। ইহুদী ইহুদীই থেকে যাচ্ছে । দিল্লিতে অসংখ্য কুরআন ও তাফসীরের পাবলিশার্সের মালিক হিন্দু। তাদের শোরুমে হাজারো কপি কুরআন ও তার অনুবাদ প্রদর্শিত হচ্ছে ; কিন্তু তারা হিন্দুই থেকে যাচ্ছে ।
গিরিশচন্দ্র সেন শুধু কুরআনের অনুবাদ করে ইসলামের অনুসারী হতে পারেনি । আপনারা শুধু কুরআন প্রদর্শন করে কিভাবে ইসলামের অনুসারী হবেন ? প্রয়োজন কুফুরী আকীদা ত্যাগ করা ।
এজন্য কুরআন প্রদর্শন বাদ দিয়ে কাদিয়ানীদের উচিত ইসলাম থেকে বিচ্যুতি ঢাকার জন্য কুফুরী আকীদাকে বাদ দেয়া । তাহলে আর কুরআন প্রদর্শনের মত মুসলমানদেরকে ধোঁকা দেয়ার কাজে সময় ও পঁয়সা ব্যয় করার দরকার হবে না।
কাদিয়ানীদের একটি কুফুরি আকীদা ও বক্তব্য দেখুন :
پس حضرت مسیح موعود وہی نور ہےـ جس کا سب نوروں کے آخر میں انا مقدر ہو چکا تھا ـ اور وہی نبی ہے جس کا آنا سب سے آخر ہوا ہے۔
সুতরাং মসীহে মাওউদ( মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী, মৃত্যু : ২৬ই মে, ১৯০৮ ইং) সেই নূর যে নূরের আগমন সকল নূরের শেষে হয়েছে এবং সেই নবী যার আগমন সবার শেষে সংঘটিত হয়েছে ।
(আখবারুল ফযল, পৃষ্ঠা : ৩ , ২৮ ই অক্টোবর ১৯১৫ ইং । কাদিয়ান থেকে প্রকাশিত )
মুহাম্মদ সাঃ কে শেষ নবী হিসেবে মেনে নিয়ে এসকল কুফুরী আকীদাকে পরিবর্তন করুন ও ধোঁকাবাজি বন্ধ করুন। কুরআন প্রদর্শন করা ছাড়াই আপনি ইসলামের খাঁটি অনুসারী হয়ে যেতে পারবেন ।