মির্যা কাদিয়ানীর আমলে যখন হিন্দুস্তানে প্লেগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় তখন সে এটাকে মোক্ষম সুযোগ হিসাবে লুফে নেয়। সে তখন রচনা করে ‘দাফেউল বালা’। কাদিয়ানীরা বাংলায় ‘বালা মসিবত প্রতিরোধক’ নামে বইটি প্রকাশ করে। এতে মির্যা কাদিয়ানী খুব উল্লসিত ভঙ্গিমায় প্রচার করতে থাকে যে, এ বিপদ এসেছে তাকে রাসূল না মানার কারণে আসমানী আযাব হিসাবে। তাকে যদি রাসূল মেনে নেওয়া হয় তাহলে আর এ বিপদ থাকবে না। আর কাদিয়ানে যেহেতু সে অবস্থান করছে তাই তা সুরক্ষিত থাকবে। তো এ বইতে সে খুব জোর গলায় নবী এবং রাসূল হবার দাবি করে-

خدا کی وہ پاک وحی جو میرے پر نازل ہوئی۔ اس کی یہ عبارت ہے۔ اِنّ اللهَ لاَيُغَيِّرُ ماَ بِقَوْمٍ حَتّى يُغَيِّرُوْا مآ بِاَنْفُسِهِمْ اِنّه اَوَى الْقَرْيَةَ۔یعنی خدا نے یہ ارادہ فرمایا ہے کہ اس بلائے طاعون کو ہرگز دور نہیں کرےگا جب تک لوگ ان خیالات کو دور نہ کر لیں جو ان کے دلوں میں ہیں یعنی جب تک وہ خدا کے مامور اور رسول کو مان نہ لیں تب تک طاعون دور نہیں ہوگی اوروہ قادر خدا قادیان کو طاعون کی تباہی سے محفوظ رکھےگا تا تم سمجھو کہ قادیان اسی لئے محفوظ رکھی گئی کہ وہ خدا کا رسول اور فرستادہ قادیان میں تھا۔

কাদিয়ানীরা এর অনুবাদ করেছে- “আল্লাহর সেই পবিত্র বাণী যা আমার উপর অবতীর্ণ হয়েছে তাঁর ভাষা নিম্নরূপঃ

اِنّ اللهَ لاَيُغَيِّرُ ماَ بِقَوْمٍ حَتّى يُغَيِّرُوْا مآ بِاَنْفُسِهِمْ اِنّه اَوَى الْقَرْيَةَ

অর্থঃ আল্লাহ্ ইচ্ছা করেছেন যে, তিনি প্লেগের আক্রমণকে দূরীভূত করবেন না যতদিন মানুষ নিজেদের ধারণা ও মতামতকে পরিবর্তন না করবে, যা তাদের মনের মধ্যে আছে। অর্থাৎ যতদিন তারা খোদার প্রেরিত পয়গাম্বরকে মেনে না নিবে ততদিন প্লেগ দূরীভূত হবে না এবং মহাশক্তিশালী খোদা কাদিয়ানকে প্লেগের ধ্বংস থেকে রক্ষা করবেন১৪ যেন তোমরা বুঝতে পার যে কাদিয়ানকে এ কারণে রক্ষা করা হয়েছে যে সেখানে আল্লাহর প্রেরিত রসূল ছিলেন।” -দাফেউল বালা, পৃ. ৫; রূহানী খাযায়েন ১৮/২২৫, ২২৬; দাফেউল বালা (বাংলা), পৃ. ৫, ৬

এখানেও পরিষ্কারভাবে মির্যা কাদিয়ানী নিজেকে আল্লাহর প্রেরিত রাসূল বলে আখ্যায়িত করছে।