মির্যা কাদিয়ানী তার বই হাকীকতুল ওহীতে নিজেকে মাসীহ হিসাবে পেশ করে বলে-
اوائل میں میرا یہی عقیدہ تھا کہ مجھ کو مسیح ابن مریم سے کیا نسبت ہے وہ نبی ہے اور خدا کے بزرگ مقربین میں سے ہے۔ اور اگر کوئی امر میری فضیلت کی نسبت ظاہر ہوتا تو میں اس کو جزئی فضیلت قرار دیتا تھا۔ مگر بعد میں جوخدا تعالی کی وحی بارش کی طرح میرے پر نازل ہوئی اس نے مجھے اس عقیدہ پر قائم نہ رہنےدیا اور صریح طور پر نبی کا خطاب مجھے دیا گيا مگر اس طرح سے کہ ایک پہلو سے نبی اور ایک پہلوسے امتی۔
বাংলাদেশে কাদিয়ানীদের মূল কেন্দ্র ঢাকার বকশী বাজার থেকে এর অনুবাদ হয়েছে ‘ওহীর প্রকৃত তাৎপর্য’ নামে। সেখানে তারা এর অনুবাদ করেছে-
“প্রথম দিকে আমার এই বিশ্বাসই ছিল যে, মসীহ ইব্নে মরিয়মের সহিত আমার তুলনা হইতে পারে না। তিনি নবী এবং খোদার সম্মানিত নৈকট্যপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণের অন্তর্ভুক্ত। যদি কোনো বিষয়ে আমার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশিত হইত তবে আমি উহাকে আংশিক শ্রেষ্ঠত্ব সাব্যস্ত করিতাম। কিন্তু পরবর্তীতে বারি ধারার ন্যায় অবতীর্ণ খোদাতালার ওহী আমাকে এই বিশ্বাসের উপর কায়েম থাকিতে দিল না এবং তিনি আমাকে সুস্পষ্টভাবে নবীর উপাধি দান করেন। কিন্তু ইহা এইভাবে যে, একদিক হইতে আমি নবী এবং এক দিক হইতে উম্মতি।”১২ -হাকীকতুল ওহী, পৃ. ১৪৯, ১৫০; রূহানী খাযায়েন ২২/১৫৩, ১৫৪; হাকীকাতুল ওহী (বাংলা), পৃ. ১১৮
দেখতেই পাচ্ছেন, মির্যা কাদিয়ানী এখানে স্পষ্টভাবে নবী উপাধি লাভ করার ঘোষণা দিচ্ছে। আর তাই তার ছেলে মির্যা বশীর আহমদ এমএ বলে-
مسیح موعود نے بھی اپنی کتابوں میں اپنے دعوئ رسالت اور نبوت کو بڑی صراحت کے ساتھ بیان کیا ہے
মসীহে মাওঊদও নিজের বইগুলোতে নিজের নবুওত ও রিসালাতের দাবি খুউব স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। -কালিমাতুল ফছল, লেখক, মির্যা বশীর আহমদ এমএ, পৃ. ২০