মির্যার একটি পুস্তক ‘হাকীকতুল ওহী’। এখানে সে তার ওহী ও নবুওতের বিষয়টি খুব জোরেসোরে এবং জাঁকজমকভাবে প্রমাণিত করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। যার ফলে তাকে বহু প্রতারণা ও মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়েছে। এর পরিশিষ্টে সে বলেছে-

میں اس خدا کی قسم کھا کر کہتا ہوں جس کے ہاتھ میں میری جان ہے کہ اسی نے مجھے بھیجا ہے اور اسی نے میرا نام نبی رکھا ہے اور اسی نے مجھے مسیح موعود کے نام سے پکاراہے اور اس نے میری تصدیق کے لئے بڑے بڑےنشان ظاہر کئے ہیں جو تین لاکھ تک پہنچتے ہیں جن میں سے بطور نمونہ کسی قدر اس کتاب میں بھی لکھے گئے ہیں۔ اگر اس کے معجزانہ افعال اور کھلے کھلے نشان جو ہزاروں تک پہنچ گئے ہیں میرے صدق پر گواہی نہ دیتے تو میں اس کے مکالمہ کو کسی پر ظاہر نہ کرتا اور نہ یقینا کہہ سکتا کہ یہ اس کا کلام ہے۔ پر اس نے اپنے اقوال کی تائید میں وہ افعال دکھائے جنہوں نے اس کا چہرہ دکھانےکے لئے ایک صاف اور روشن آ ئینہ کا کام دیا۔

আমি ঐ খোদার কসম করে বলছি, যার হাতে আমার জীবন, তিনিই আমাকে পাঠিয়েছেন এবং তিনিই আমার নাম নবী রেখেছেন। তিনিই আমাকে ‘মাসীহে মাওঊদ’ নামে ডেকেছেন এবং তিনি আমার সত্যতার জন্য বড় বড় নিদর্শন প্রকাশ করেছেন, যা তিন লক্ষ১০ পর্যন্ত পৌঁছে। নমুনাস্বরূপ এই কিতাবেও কিছু লেখা হয়েছে। যদি তার মুজিযামূলক কর্মকা- এবং স্পষ্ট স্পষ্ট নিদর্শনাবলী, যার সংখ্যা হাজার পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে, এগুলো যদি আমার সত্যতার সাক্ষ্য না দিত, তাহলে তার সাথে আমার কথপোকথনের বিষয়টি কারো সামনে প্রকাশ করতাম না। আর না একীনের সাথে বলতে পারতাম যে, এটা তার কালাম। উপরন্তু তিনি নিজের কথাকে শক্তিশালী করার জন্য ঐসব আচরণ প্রকাশ করেছেন, যেগুলো তার চেহারা দেখানোর জন্য একটি স্বচ্ছ উজ্জ্বল আয়নার কাজ দিয়েছে।১১ -তাতিম্মা হাকিকতুল ওহী, রূহানী খাযায়েন (মির্যা কাদিয়ানীর রচনা সমগ্র) ২২/৫০৩

দেখুন, এখানে সে নবুওতেরও ঘোষণা করেছে এবং তার নবুওতের জন্য নিদর্শন এবং মুজেযা প্রকাশিত হওয়ারও দাবি করছে।

এ উদ্ধৃতিতে এও দেখা যাচ্ছে যে, সে একাই মসীহে মাওঊদ (প্রতিশ্রুত মাসীহ) এবং নবী হওয়ার দাবি করছে। অতএব কাদিয়ানীরা যে বলে, মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী হলেন ‘মসীহে মাওউদ’। তো তাকে মসীহে মাওউদ বিশ্বাস করা আর নবী বিশ্বাস করা একই কথা; দুই কথা নয়। আর কাদিয়ানীদের বিশ্বাসও এমনটাই। নবী বিশ্বাসের কথাটা গোপন রেখে মসীহে মাওউদ বলা কেবলই প্রতারণা ও ছলচাতুরি মাত্র।