মির্যা তার পুস্তক ‘হাকীকাতুল ওহী’-তে আরো বলে-
یہ بات ایک ثابت شدہ امر ہے کہ جس قدر خدا تعالی نے مجھ سےمکالمہ و مخاطبہ کیا ہے اور جس قدر امور غیبیہ مجھ پرظاہر فرمائے ہیں تیرہ سو برس ہجری میں کسی شخص کو آج تک بجز میرے یہ نعمت عطا نہیں کی گئی۔ اگر کوئی منکر ہو تو بار ثبوت اس کی گردن پر ہے۔
غرض اس حصہ کثیر وحی الہی اور امور غیبیہ میں اس امت میں سے میں ہی ایک فرد مخصوص ہوں اور جس قدر مجھ سے پہلےاولیاء اور ابدال اور اقطاب اس امت میں سے گزر چکے ہيں ان کو یہ حصہ کثیر اس نعمت کا نہیں دیا گيا۔ پس اس وجہ سے نبی کا نام پانے کے لئے میں ہی مخصوص کیا گیا اور دوسرے تمام لوگ اس نام کے مستحق نہیں کیونکہ کثرت وحی اور کثرت امور غیبیہ اس میں شرط ہے اور وہ شرط ان میں پائی نہیں جاتی …
কাদিয়ানীরা এর অনুবাদ করেছে-
“ইহা একটি প্রমাণিত বিষয় যে, খোদাতা’লা আমার সহিত যে পরিমাণ বাক্যালাপ ও সম্বোধন করিয়াছেন এবং আমার নিকট যে পরিমাণ অদৃশ্যের বিষয় প্রকাশ করিয়াছেন, হিজরী ১৩০০ (তেরশত) বৎসরের মধ্যে আজ পর্যন্ত আমি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তিকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয় নাই। যদি কোন অস্বীকারকারী থাকে তবে প্রমাণের ভার তাহার স্কন্ধে থাকিবে। মোট কথা খোদার ওহী ও অদৃশ্য বিষয়ের এই বিপুল অংশের জন্য এই উম্মতে আমিই একমাত্র নির্দিষ্ট ব্যক্তি। আমার পূর্বে এই উম্মতে যত আউলিয়া, আবদাল ও কুতুব চলিয়া গিয়াছেন তাহাদিগকে এই পুরস্কারের বিপুল অংশ দেওয়া হয় নাই। অতএব এই কারণে নবীর নাম পাওয়ার জন্য আমাকেই নির্দিষ্ট করা হইয়াছে। অন্য সকল লোক এই নামের যোগ্য নহে। কেননা, ইহাতে বিপুল পরিমাণ ওহী ও বিপুল পরিমাণ অদৃশ্যের বিষয়ের শর্ত রহিয়াছে এবং তাহাদের মধ্যে এই শর্ত পূর্ণ হইতে দেখা যায় না। …” -হাকীকতুল ওহী, পৃ. ৩৯১; রূহানী খাযায়েন ২২/৪০৬, ৪০৭; হাকীকাতুল ওহী (বাংলা), পৃ. ৩৩০
মির্যা কাদিয়ানীর এ বক্তেব্যের স¦াভাবিক দাবি হল, যেহেতু এই উম্মতের মাঝে একমাত্র সেই নবী হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হয়েছে, তাই সে শেষ নবী। আর কাদিয়ানীরাও এমনটাই বিশ্বাস করে। দ্রষ্টব্য : কাদিয়ানীদের পত্রিকা আলফযল, ২৮ অক্টোবর ১৯১৫ ঈ., পৃ. ৩, কলাম, ২, ৩