কুরআনুল কারীমের ৪৮ নাম্বার সূরা, সূরা ফাত্হ। এ সূরার ২৮ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তাআলা আখেরী নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যাপারে বলেন-
هُوَ الَّذِیْۤ اَرْسَلَ رَسُوْلَهٗ بِالْهُدٰی وَ دِیْنِ الْحَقِّ لِیُظْهِرَهٗ عَلَی الدِّیْنِ كُلِّهٖ ؕ وَكَفٰی بِاللّٰهِ شَهِیْدًا.
তিনিই তাঁর রাসূলকে পাঠিয়েছেন হেদায়েত এবং সত্য দ্বীনসহ, যাতে অপরাপর ধর্মের উপর তিনি একে বিজয়ী করেন। আর সাক্ষী হিসাবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। -সূরা ফাতহ (৪৮) : ২৮
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শানে অবতীর্ণ কুরআনে কারীমের এ আয়াতকে মির্যা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী নিজের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে এবং নিজেকে এর প্রতিপাদ্য হিসাবে আখ্যায়িত করে। এখানে উদ্ধৃতিটি লক্ষ্য করুন।
মির্যা কাদিয়ানী তার পুস্তিকা ‘এক গলতি কা ইযালা’য় লেখে-
ایک یہ وحی اللہ ہے هو الذی ارسل رسوله بالهدی ودين الحق ليظهره على الدين كله دیکھو صفحہ ৪৯৮ براہین احمدیہ۔ اس میں صاف طور پر اس عاجز کو رسول کر کے پکارا گیاہے۔
কাদিয়ানীরা এর অনুবাদ করেছে এভাবে- এ পুস্তকে প্রকাশিত আল্লাহর ওহীগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে-
هو الذی ارسل رسوله بالهدی ودين الحق ليظهره على الدين كله.
হুয়াল্লাযী আরসালা রসূলাহু বিলহুদা ওয়া দীনিল হাক্কে লিইউযহিরাহু আলাদ্দীনে কুল্লিহি- (বারাহীনে আহমদীয়া, ৪৯৮ পৃঃ দ্রষ্টব্য)। এতে স্পষ্টভাবে আমাকে রসূল বলা হয়েছে। -এক গলতি কা ইযালা, পৃ. ৩; রূহানী খাযায়েন ১৮/২০৬, ২০৭; একটি ভুল সংশোধন (বাংলা), পৃ. ৩
বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এটা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র শানে চরম বেয়াদবি। আখেরী নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শানে অবতীর্ণ কুরআনে কারীমের পবিত্র আয়াতকে নিজের ওহী বানিয়ে ফেলেছে। এরপর কত সটানভাবে নিজের নবুওতের নিকৃষ্ট দাবি দেখানোর পাঁয়তারা করছে!