মির্যা তার পুস্তক ‘নুযুলুল মাসীহ’-তে বলে-
جس شخص کو خدا تعالی بصیرت عطا کرے گا وہ مجھے پہچان لےگا کہ میں مسیح موعود ہوں اور وہی ہوں جس کا نام سرور انبیاء نے نبی اللہ رکھا ہے اور اس کو سلام کہاہے۔ اور اپنا دوسرا بازو قرار دیا ہے اور خاتم الخلفاء ٹھہرایا ہے وہ مجھے اسی طرح افضل سمجھےگا جس طرح خدا اور رسول نے مجھے فضیلت دی ہے
যাকে খোদা তাআলা অন্তর্দৃষ্টি দান করবেন সে আমাকে চিনে ফেলবে যে, আমি মসীহে মাওউদ (প্রতিশ্রুত মাসীহ) এবং ঐ ব্যক্তি সরওয়ারে আম্বিয়া যার নাম নবীউল্লাহ রেখেছেন এবং তাকে সালাম বলেছেন। এবং নিজের দ্বিতীয় বাহু বলে তাকে আখ্যায়িত করেছেন। এবং ‘খাতামুল খুলাফা’ সাব্যস্ত করেছেন। সে আমাকে ওরকমই শ্রেষ্ঠ মনে করবে, যেমনটি আল্লাহ ও তার রাসূল আমাকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। -নুযুলুল মাসীহ, পৃ. ৪৮; রূহানী খাযায়েন ১৮/৪২৭
দেখুন-
ক. মির্যা তার এ বক্তব্যে নিজেকে মসীহে মওঊদ (প্রতিশ্রুত মাসীহ) দাবি করছে।
খ. এবং নবী হবারও দাবি করছে।
গ. আর তার নাম নবীউল্লাহ (আল্লাহর নবী) নাকি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেখেছেন।
ঘ. শুধু তাই নয়, তাকে কি না নবীজী সালামও বলেছেন।
ঙ. এমনকি নবীজী কি না তাকে নিজের বাহু বলে আখ্যায়িত করেছেন।
চ. আরো বেয়াদবি হল, ‘নবীউল্লাহ’, ‘সালাম’ ও ‘খাতামুল আম্বিয়া’ শব্দগুলো বোল্ড করে দেওয়া হয়েছে।
নাউযুবিল্লাহ, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের শানে কত জঘন্য বেয়াদবি করতে হলে এভাবে বলতে পারে!
এখানে মির্যার উদ্ধৃত বক্তব্যে দেখা যাচ্ছে যে, সে একইসাথে মাসীহ এবং নবী উভয়টাই দাবি করছে। অতএব মির্যাকে মসীহ হিসাবে মেনে নেওয়া মানে তাকে অবশ্যই নবী হিসাবেও মেনে নেওয়া। চাই স্পষ্টভাবে স্বীকার করুক বা না করুক।