মির্যার দাবি অনুযায়ী আল্লাহ নাকি তাকে (১৯০৩ সনে) ওহী মারফত বলেছেন-

قُلْ اِنِّيْ اُمِرْتُ وَاَنَا اَوَّلُ الْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ يُوْحى اِلىَّ اَنَّمَا اِلهُكُمْ اِلهٌ وَّاحِدٌ. …

هُوَ الَّذِیْۤ اَرْسَلَ رَسُوْلَه بِالْهُدٰی وَ دِيْنِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَه عَلَى الدِّيْنِ كُلِّه.

کہہ میں مامور ہوں اور میں سب سے پہلے مومن ہوں۔ کہہ میرے پر وحی نازل ہوتی ہے کہ تمہارا خدا ایک خدا ہے۔ …

خدا وہ خدا ہے جس نے اپنے رسول کو (یعنی اس عاجز کو) ہدایت اور دین حق دے کر اس غرض سے بھیجا ہے تا وہ اس دین کو تمام دینوں پر غالب کرے۔

তুমি বল, আমি মামুর এবং আমি সর্বপ্রথম মুমিন। তুমি বল, আমার উপর ওহী নাযিল হয় যে, তোমাদের খোদা এক খোদা। …

খোদা তো তিনিই যিনি নিজের রাসূলকে (অর্থাৎ এই অধমকে) হেদায়েত এবং সত্য ধর্ম দিয়ে এই উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি এই ধর্মকে সকল ধর্মের উপর বিজয়ী করেন। -তাযকেরাহ, পৃ. ৪০৯ (চতুর্থ এডিশন)

মির্যার এ বক্তব্যে যে বিষয়গুলো রয়েছে-

ক. মির্যা মামুর। অর্থাৎ আল্লাহর পক্ষ থেকে আদিষ্ট।

খ. তার উপর ওহী নাযিল হয়।

গ. আল্লাহ মির্যাকে রাসূল হিসাবে প্রেরণ করেছেন।

ঘ. মির্যার ধর্ম সত্য ধর্ম।

ঙ. মির্যার ধর্ম সকল ধর্মের উপর বিজয় লাভ করবে।

নবুওত ও রিসালাতের এত স্পষ্ট দাবির পর তা ঢাকার জন্য কেন যে তারা অপকৌশলের আশ্রয় নেয়! আল্লাহ্ই ভলো জানেন।

মির্যা কাদিয়ানীর এ বক্তব্যে লক্ষণীয় বিষয় হল, একই বক্তব্যে মির্যা প্রথমে মামুর (আল্লাহর পক্ষ থেকে আদিষ্ট) হওয়ার দাবি করছে, পাশাপাশি তার উপর ওহী অবতীর্ণ হওয়ার কথা বলছে এবং পরক্ষণেই নিজেকে আল্লাহর রাসূল বলেও ঘোষণা দিচ্ছে। এতে কি একথা স্পষ্টই বুঝে আসে না যে, মির্যার মামুর হওয়ার দাবির মাঝে নবুওতের মিথ্যা দাবিও নিহিত রয়েছে!