সে তার এ বইতে বলে, আল্লাহ নাকি সে সময়গুলোতে তার নিকট এভাবে খবর পাঠিয়েছেন (মূলত তার নিকট যা ওহী)-
پھر اس کے بعد ان دنوں میں بھی خدا نے مجھے خبر دی۔ چنانچہ وہ عز وجل فرماتا ہے:۔
ماكان الله ليعذبهم و انت فيهم انه اوى القرية. لولا الاكرام لهلك المقام. انى انا الرحمن دافع الاذى. انى لايخاف لدي المرسلون. انى حفيظ. انى مع الرسول اقوم. والوم من يلوم….
ترجمہ ۔خدا ایسا نہیں کہ قادیاں کے لوگوں کو عذاب دے حالانکہ تو ان میں رہتاہے۔ وہ اس گاؤں کو طاعون کی دست برد اور اس کی تباہی سے بچالے گا۔ اگر تیرا پاس مجھے نہ ہوتا اور تیرا اکرام مد نظر نہ ہوتا تو میں اس گاؤں کو ہلاک کردیتا۔ ميں رحمان ہوں جو دکھ کو دور کرنے والا ہے۔ میرے رسولوں کو میرے پاس کچھ خوف اور غم نہیں میں نگہ رکھنے والا ہوں۔ میں اپنے رسول کے ساتھ کھڑاہوں گا اور اس کو ملامت کروں گاجو میرے رسول کو ملامت کرتا ہے۔ …
اب اس تمام وحی سے تین باتیں ثابت ہوئی ہیں (১) اوّل یہ کہ طاعون دنیا میں اس لئے آئی ہے کہ خدا کے مسیح موعود سے نہ صرف انکار کیا گیا بلکہ اس کو دکھ دیا گيا۔ اس کے قتل کرنے کے لئے منصوبے کئے گئے۔ اس کا نام کافر اور دجال رکھا گیا۔ پس خدانے نہ چاہا کہ اپنے رسول کو بغیر گواہی چھوڑے۔
বকশী বাজার থেকে তারা এর অনুবাদ করেছে-
“তারপর আজকের বা কালকের দিনগুলোতেও খোদা আমাকে খবর দিয়েছেন। যেমন তিনি, যিনি অসীম ক্ষমতার অধিকারী বলেছেনঃ
ماكان الله ليعذبهم و انت فيهم انه اوى القرية. لولا الاكرام لهلك المقام. انى انا الرحمن دافع الاذى. انى لايخاف لدي المرسلون. انى حفيظ. انى مع الرسول اقوم. والوم من يلوم….
অনুবাদঃ খোদা তাআলা এমন নহেন কাদিয়ানের মানুষকে শাস্তি দিবেন এমন সময়, যখন তুমি তাদের মাঝে অবস্থান করছ। তিনি এই গ্রামকে প্লেগের আক্রমণ এবং এর ধ্বংসলীলা থেকে রক্ষা করবেন। যদি তোমার প্রতি আমার বিশেষ সমর্থন না থাকত, তোমার সম্মানের প্রতি আমার দৃষ্টি না থাকত, তাহলে আমি এই গ্রামকে ধ্বংস করে দিতাম। আমি রহমান, যিনি দুঃখকে দূরীভূত করেন- আমার সমীপে রসূলগণের কোন ভয় বা দুঃখ নেই; আমি সবদিকে লক্ষ্য রাখি।
আমি আমার রসূলের সাথে দন্ডায়মান হব এবং আমি, তাকে দোষারোপ করব, যে আমার রসূলকে দোষারোপ করে। …”
এরপর তার প্রলাপ-ওহীর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সে বলে-
“এসব ওহীর মাধ্যমে তিনটি কথা প্রমাণিত হয়েছে। প্রথম: প্লেগের আক্রমণ পৃথিবীতে এ কারণে ঘটছে যে, প্রতিশ্রুত মসীহ মাওঊদ (আ.) কে কেবল অস্বীকার করাই হয় নাই। বরং তাকে কষ্ট দেয়া হয়েছে। তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাকে কাফের ও দাজ্জাল নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। অতএব, খোদা চান নাই যে, তাঁর নিজ প্রেরিত১৫ ব্যক্তিকে সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়াই রেখে দিবেন। …” -দাফেউল বালা, পৃ. ৬-৯; রূহানী খাযায়েন ১৮/২২৬-২২৯; দাফেউল বালা (বাংলা) পৃ. ৭-১০