তার এ বই ‘এক গলতি কা ইযালা’য় সে আরো লেখে-
پس میں جب کہ اس مدت تک ڈیڑھ سو پیشگوئی کے قریب خدا کی طرف سے پاکر بچشم خود دیکھ چکا ہوں کہ صاف طور پر پوری ہوگئیں تو میں اپنی نسبت نبی یارسول کے نام سے کیونکر انکار کر سکتا ہوں۔اور جب کہ خود خدا تعالیٰ نے یہ نام میرے رکھے ہیں تو میں کیونکر رد کردوں یا کیونکراس کے سوا کسی دوسرےسے ڈروں۔ مجھے اس خدا کی قسم ہےجس نے مجھے بھیجا ہے اور جس پر افترا کرنا لعنتیوں کا کام ہےکہ اس نے مسیح موعود بنا کرمجھے بھیجا ہے اور میں جیساکہ قرآن شریف کی آیات پر ایمان رکھتا ہوں ایسا ہی بغیر فرق ایک ذرّہ کے خدا کی اس کھلی کھلی وحی پر ایمان لاتا ہوں جو مجھےہوئی جس کی سچائی اس کے متواتر نشانوں سے مجھ پر کھل گئی ہے اور میں بیت اللہ میں کھڑے ہوکریہ قسم کھا سکتا ہوں کہ وہ پاک وحی جو میرے پر نازل ہوتی ہے وہ خدا کا کلام ہے جس نے حضرت موسی اور حضرت عیسی اور حضرت محمد مصطفی صلی اللہ علیہ وسلم پر اپنا کلام نازل کیا تھا۔۔
কাদিয়ানীরা এর অনুবাদ করেছে- “সুতরাং আমি যখন আজ পর্যন্ত খোদার নিকট হতে প্রায় দেড়শত ভবিষ্যদ্বাণী লাভ করে স্বচক্ষে পূর্ণ হতে দেখেছি। তখন আমার নবী ও রাসূল হওয়া আমি কীরূপে অস্বীকার করতে পারি? যখন স্বয়ং খোদাতাআলা আমাকে নবী ও রাসূল আখ্যা দিয়েছেন, তখন আমি কীরূপে এটা প্রত্যাখান করতে পারি এবং তাঁকে ছেড়ে অন্যকে ভয় করি?
যে খোদা আমাকে পাঠিয়েছেন এবং যাঁর প্রতি মিথ্যা আরোপ করা মহাপাপীর কাজ; আমি তাঁর শপথ করে বলছি, তিনি আমাকে মসীহ মাওঊদরূপে পাঠিয়েছেন। আমি যেভাবে কুরআন শরীফের প্রতি পূর্ণ ঈমান রাখি সেরূপ বিন্দুমাত্র পার্থক্য না করে আমার প্রতি অবতীর্ণ আল্লাহর প্রত্যেকটি পরিষ্কার ওহীর উপর ঈমান রাখি। এগুলোর সত্যতা অবিরাম নিদর্শনের দ্বারা আমার নিকট সুপ্রকাশিত হয়েছে। আমি কা‘বাগৃহে দাঁড়িয়ে শপথ করতে পারি যে, যেসব পবিত্র ওহী আমার নিকট অবতীর্ণ হয়, এগুলো সে আল্লাহর বাণী, যিনি হযরত মূসা, হযরত ঈসা এবং হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর প্রতি আপন বাণী প্রেরণ করেছিলেন।” -এক গলতি কা ইযালা, পৃ. ৩, ৪ রূহানী খাযায়েন ১৮/২১০; একটি ভুল সংশোধন (বাংলা), পৃ. ৮
দেখুন, এখানে সে স্পষ্টভাবে নবী এবং রাসূল হবার দাবি করছে।
এখানে সে নবী ও রাসূল দাবির পাশাপাশি মাসীহ হওয়ারও দাবি করছে।
উপরন্তু তার জঘন্য ধৃষ্টতা হল, সে কত মজবুতির সাথে নিজের ওহীর অকাট্যতা প্রকাশ করছে। এমন কি শুধু পূর্ববর্তী নবীগণের ওহীর সাথে তুলনা নয়; বরং আখেরী নবী হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র ওহী কুরআনুল কারীমের সাথে নিজের বানানো কথাকে ওহী দাবি করে তুলনা করছে! তার বিশ্বাসে আল্লাহ পাকের পাক কালাম কুরআন মাজীদ এবং তার প্রলাপ-ওহীর মাঝে বিন্দুমাত্র কোনো ফরক নেই! এরচে ভয়াবহ কুফর আর কী হতে পারে!