পাঠক, এই উদ্ধৃতি ক’টি পড়ার পর নিশ্চয়ই আপনার অন্তরাত্মা প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে। হাঁ, কাদিয়ানী বিশ্বাসগুলো এভাবেই মুসলমানদের ঈমানের ভীতে আঘাত হানতে থাকে।
তবে যাইহোক, কাদিয়ানীরা যে তাদের গুরু মহোদয়ের নবুওত দাবির প্রসঙ্গটি এড়িয়ে যেতে চায়; বরং চেপে যেতে চায় এবং এর মাধ্যমে মুসলমানদের তো বটেই, কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের সরলমনা সাধারণ সদস্যকেও ভুলিয়ে রাখতে চায়। এটা কেবলই ধোঁকা এবং প্রতারণা।
প্রশ্ন হচ্ছে, তাদের মৌলিক একটি বিশ্বাস এভাবে গোপন করে কিংবা লুকোচুরি করার মাধ্যমে তারা তাদের হযরত এবং তার ধর্মের উপর কতটুকু ন্যায়বিচার করছে! কাদিয়ানী ভাইদের প্রতি দরখাস্ত- আপনারা দ্বীনে মুহাম্মদীতে আশ্রয় নিন। ইসলামের ছায়াতলে ফিরে আসুন। নতুবা স্পষ্ট ভাষায় নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করুন। নিজেদের মতবাদকে স্বতন্ত্র ধর্মমত হিসাবে ঘোষণা দিন। দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং মুসলিম জাতির সাথে প্রতারণা বন্ধ করুন। ইসলাম ও মুসলমান নাম এবং শাআইরুল ইসলামসহ ইসলামের সকল পরিভাষার অপব্যবহার থেকে বিরত থেকে নিজেদের মূল পরিচয় দেশ ও জাতির সামনে তুলে ধরুন।
এখানে মাত্র কয়েকটি উদ্ধৃতি উল্লেখ করা হল মাত্র। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি মহব্বত এবং ঈমানী গায়রতের দরুন যেকোনো মুসলমান এ ক’টি উদ্ধৃতি দেখেই প্রচণ্ডভাবে ঝাঁকুনি খাবেন। তবে মির্যা কাদিয়ানীর কুফ্র এতটুকুতেই শেষ নয়; মির্যার লেখাজোখায় এ ধরনের আরো বহু জঘন্য জঘন্য বক্তব্য-বিবৃতি রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলেছে, আবার কোথাও কোথাও দ্ব্যর্থহীনভাবে নবুওতের দাবি করে বসেছে। সে যে কত জায়গায় কতভাবে এ দাবি করেছে তাতে তার নবুওতের মিথ্যা দাবির বিষয়ে অস্পষ্টতার কিছু বাকি থাকে না। কেবল সহজে বুঝার জন্য এখানে স্পষ্ট কিছু উদ্ধৃতি তুলে ধরা হয়েছে মাত্র।