মির্যার উপরোল্লিখিত বক্তব্যসমূহের মধ্য দিয়ে প্রতীয়মান হয় যে, মির্যা কাদিয়ানী ও কাদিয়ানী সম্প্রদায় প্রকৃতপক্ষে বৃটিশদের-ই লাগানো চারা। মির্যা স্পষ্ট ভাষায় তা স্বীকারও করে নিয়েছে। ঘটনাটি হচ্ছে, এক ব্যক্তি মির্যা কাদিয়ানীর বিরুদ্ধে বৃটিশ বিচারকের কাছে অভিযোগ করেছিল। আদালত থেকে তলব আসলে মির্যা কাদিয়ানী সেই ইংরেজ অফিসারের উদ্দেশ্যে বলছে-
صرف یہ التماس ہے کہ سرکار دولت مدار ایسے خاندان کی نسبت جس کو پچاس برس کے متواتر تجربہ سے ایک وفادار جان نثار خاندان ثابت کر چکی ہے۔اور جس کی نسبت گورنمنٹ عالیہ کے معزز حکام نے ہمیشہ مستحکم رائے سے اپنی چٹھیات میں یہ گواہی دی ہے کہ وہ قدیم سے سرکار انگریزی کے پکے خیرخواہ اور خدمت گزارہیں اس خود کاشتہ پودا کی نسبت نہایت جزم اور احتیاط اور تحقیق اور توجہ سے کام لے اور اپنے ماتحت حکام کو اشارہ فرمائے کہ وہ بھی اس خاندان کی ثابت شدہ وفاداری اور اخلاص کا لحاظ رکھ کر مجھے اور میری جماعت کو ایک خاص عنایت اور مہربانی کی نظر سے دیکھیں۔ ہمارے خاندان نے سرکار انگریزی کی راہ میں اپنے خون بہانے اور جان دینے سے فرق نہیں کیا اور نہ اب فرق ہے۔
মহামান্য সরকারের প্রতি শুধু এটুকু আবেদন জানাই যে, এ বংশ, যাদেরকে তারা সুদীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের অভিজ্ঞতায় নিজেদের জন্য অনুগত ও নিবেদিতপ্রাণ পেয়েছেন। এবং যাদের সম্পর্কে মাননীয় সরকারের উচ্চ পদস্থ বিচারকগণ সবসময় নিজেদের চিঠিপত্রে দৃঢ়তার সঙ্গে এই সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, এরা ইংরেজ সরকারের দীর্ঘদিনের সত্যিকার হিতাকাক্সক্ষী ও সাচ্চা খাদেম। নিজেদের হাতে লাগানো সেই চারার প্রতি বিশেষ মনোযোগ, বিচার-বিবেচনা এবং একান্ত যত্নের আচরণ করবেন। এবং নিজ অধীনস্ত শাসকবর্গকে বলে দিন, তারা যেন আমাকে ও আমার জামাতকে বিশেষ দৃষ্টি ও গুরুত্বের সাথে দেখে। আমাদের খান্দান বৃটিশ সরকারের জন্য রক্ত প্রবাহ করতে ও নিজেদের জান দিয়ে দিতে কোনো তোয়াক্কা করেনি আর না এখন কোনো তোয়াক্কা আছে। -মাজমুয়ায়ে ইশতেহারাত ২/১৯৮ নতুন সংস্করণ, ৩/২১ পুরাতন সংস্করণ
মির্যা মাহমুদের বক্তব্য
মির্যা কাদিয়ানী তার গোটা জীবনে কখনও ইংরেজদের বিরুদ্ধে একটি বাক্যও ব্যবহার করেনি। সারা জীবন তাদের চাটুকারিতা ও তাদের স্তুতি-বন্দনা করে গেছে। এবং গর্ব করে বলেছে,
“আমার বক্তব্যে এমন কোনো শব্দ পাওয়া যাবে না, যা বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে যায়।” -পয়গামে সুলহ (বাংলা, পৃ. ৩৪), রূহানী খাযায়েন ২৩/৪৮৪
একারণেই কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় খলীফা, মির্যা কাদিয়ানীর বড় ছেলে মির্যা বশীরুদ্দীন মাহমুদ বলেছে-
“যদি আমি কাউকে এমন কথা বলতে শুনি, যা ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে যায় তাহলে আমি (ক্রোধে) কেঁপে উঠি। কারণ, এ ধরনের কথা বলা তো নেমকহারামী।” -আনোয়ারে খেলাফত, আনোয়ারুল উলূম ৩/১৫২
উপরের নাতিদীর্ঘ আলোচনা থেকে অন্তত এতটুকু কথা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় যে, কাদিয়ানীবাদ মূলত ইংরেজদেরই সৃষ্ট ও মদদপুষ্ট একটি গোষ্ঠী। ইংরেজরা নিজেদের ভিত্তি মজবুত করার জন্য তাদেরকে সৃষ্টি করেছে। তাই তারা সারাজীবন ইংরেজদের গুণকীর্তন করে গিয়েছে। যদি কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের বিবেকবান শ্রেণি বিষয়টা নিয়ে একটু চিন্তা করতেন!
মির্যা কাদিয়ানীর বৃটিশ তোষণ
মাওলানা আবু সালমান