সত্যি, অত্যাচারী বৃটিশের চাটুকারিতায় মির্যা কাদিয়ানীর কোনো জুড়ি ছিল না। না চাইতেই বৃটিশদের জন্য এত প্রশংসা-প্রার্থনা, স্তুতি-বন্দনা আর শব্দবাক্যের অবিরাম বর্ষণ! একদিকে সে ইংরেজদেরকে এ দেশবাসীর জন্য আল্লাহর রহমত, বরকত এবং নিআমত আখ্যা দিয়েছে, অন্যদিকে নিজেকে ইংরেজদের জন্য বালা মুসিবত থেকে রক্ষাকারী তাবিজ বলতেও ছাড়েনি। যেন তাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাইছে যে, “যতদিন আমি আছি তোমরা ভারতবর্ষে নিরাপদ। কারণ, আমি তো তোমাদের আনুগত্যের পক্ষে-ই মানুষকে উৎসাহিত করে যাচ্ছি। যা তাবিজের ন্যায় কার্যকরী ভূমিকা রাখবে!” পাঠক, তার বক্তব্যটি লক্ষ্য করুন-
پس میں یہ دعویٰ کر سکتا ہوں کہ میں ان خدمات (برطانیہ کی) میں یکتا ہوں اور میں یہ کہہ سکتا ہوں کہ میں ان تائیدات میں یگانہ ہوں اور میں کہہ سکتا ہوں کہ اس گورنمنٹ کے لئے بطور ایک تعویذ کے ہوں اور بطور ایک پناہ کے ہوں جو آفتوں سے بچاوے اور خدانے مجھے بشارت دی اور کہا کہ خداایسا نہیں کہ ان کو دکھ پہنچاوے اور تو ان میں ہو پس اس گورنمنٹ کی خیرخواہی اور مدد میں کوئی دوسرا شخص میری نظیر اور مثیل نہیں عنقریب یہ گورنمنٹ جان لےگی اگر مردم شناسی کا اس میں مادہ ہے۔
সুতরাং আমি এই দাবি করতে পারি যে, এই ধরনের সেবা করার ক্ষেত্রে আমিই একক ব্যক্তি। আমি বলতে পারি, (বৃটিশদের) সাহায্য-সহযোগিতায় আমি অদ্বিতীয়। আমি একথাও দাবি করতে পারি যে, আমি এই (বৃটিশ) সরকারের জন্য একটি রক্ষাকবচ তাবিজ। যা (তাদেরকে) নানা ধরনের বালা-মুসিবত থেকে রক্ষা করবে। আল্লাহ তাআলা আমাকে সুসংবাদ দান করে বলেছেন- আল্লাহ তাআলা এমন নন যে, তুমি তাদের মাঝে বিদ্যমান থাকা অবস্থায় তাদের কোনো ধরনের দুঃখ-কষ্ট দেবেন। সুতরাং এই সরকারের কল্যাণকামিতা ও সাহায্যে এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে অন্য কোনো ব্যক্তি আমার সমকক্ষ ও সমতুল্য নেই। আর যদি সরকারের মধ্যে মানুষ চেনার যোগ্যতা থাকে তাহলে তারা অচিরেই আমার এ কথার সত্যতা উপলব্ধি করতে পারবে। -নূরুল হক, রূহানী খাযায়েন ৮/৪৪-৪৫