মির্যা কাদিয়ানী বৃটিশ সরকারের সহায়তা ও তাদের সহযোগিতাকে রহমতের ছায়া আখ্যায়িত করেছে। এবং এই কারণে নিজের উপর তাদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা ওয়াজিব মনে করছে। তবে তার নিম্নোক্ত বক্তব্যে একথার সুস্পষ্ট স্বীকারোক্তি বিদ্যমান যে, এই বৃটিশ সরকার ব্যতীত অন্য কোনো সরকারের অধীনে মির্যা তার মিশন (??) কখনও বাস্তবায়ন করতে পারত না। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, বৃটিশের পৃষ্ঠপোষকাতার কারণেই মির্যা তার মিশনকে অগ্রসর করার প্রয়াস পেয়েছে। মির্যার বক্তব্য লক্ষ্য করুন-

“আমি ঐ আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি, যিনি আমাদেরকে এমন এক সরকারের রহমতের ছায়াতলে (!!!) আশ্রয় দিয়েছেন, যার আশ্রয়ে থেকে আমি স্বাধীনভাবে নিজের ওয়াজ-নসীহতের কাজ আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছি। যদিও এই অনুগ্রহশীল সরকারের শুকরিয়া আদায় করা প্রত্যেক প্রজার জন্য ওয়াজিব, কিন্তু আমি মনে করি, আমার উপর বেশি ওয়াজিব। কেননা আমার এই মহান মিশন, যা মহামান্য সম্রাজ্ঞীর ছায়াতলে থেকে বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা অন্য কোনো সরকারের অধীনে থেকে কখনও বাস্তবায়িত হত না। হোক না তা কোনো ইসলামী সরকার।” -তোহফায়ে কায়সারিয়া, রূহানী খাযায়েন-১২/২৮৩-২৮৪

পাঠক, মির্যা কাদিয়ানীর বক্তব্য পড়ুন এবং নিজ বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন, কাদিয়ানী সম্প্রদায় কোন্ বিবেকে এই ব্যক্তিকে নবী হিসেবে বরণ করে নিয়েছে!! যে জালেম ও মুসলমানদের রক্তশোষণকারী ইংরেজ সরকারের তোষামোদ ও চাটুকারিতায় এমন নির্লজ্জতার পরিচয় দিয়েছে যা শুনলে লজ্জা ও ঘৃণায় যেকোনো মুসলমানের দেহমন রিরি করে উঠবে।