যুগে যুগে যখনই নবীগণ এসেছেন সমকালীন অত্যাচারী শক্তির মোকাবেলা করেছেন। তারা তাগুতের সামনে কখনো মাথা নত করেননি। বাতিলের সামনে হকের কালিমা বলতে বিন্দুমাত্র ভয় পাননি ও বিচলিত হননি। তারা ভয় পেতেন একমাত্র আল্লাহকে। কোনো জালিমশাহীর তোষামোদ ও চাটুকারিতা তারা করেননি। পরোয়াও করেননি।
ভারতবর্ষে বৃটিশ বেনিয়াদের স্বেচ্ছাচার এবং মুসলমানদের উপর তাদের অবর্ণনীয় নির্যাতন ও নিপীড়নের ইতিহাস বলে শেষ করা যাবে না। নবুওতের মিথ্যা দাবিদার মির্যা কাদিয়ানী মুসলমানদের চির শত্রু বৃটিশ বেনিয়াদের চাটুকারিতা ও তোষামোদের জন্য যে ভাষা-শব্দ ব্যবহার করেছে তা যে কোনো ভদ্র ও আত্মমর্যাদার অধিকারী ব্যক্তির মনেই ঘৃণার উদ্রেক করবে।
মির্যা কাদিয়ানী তার অনুসারীদেরকে সাম্রাজ্যবাদী বৃটিশ সরকারের আনুগত্যের দীক্ষা দিতে গিয়ে বলছে-
نہایت تاکید سے نصیحت کرتا ہوں کہ وہ میری اس تعلیم کو خوب یاد رکھیں۔ جو تقریبا ২৬برس سے تقریری اور تحریری طور پر ان کے ذہن نشین کرتا آیا ہوں۔ یعنی یہ کہ اس گورنمنٹ انگریزی کی پوری اطاعت کریں۔ کیونکہ وہ ہماری محسن گورنمنٹ ہے۔ ان کی ظل حمایت میں ہمارا فرقہ احمدیہ چند سال میں لاکھوں تک پہنچ گیا ہے
আমি (আমার অনুসারীদেরকে) অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উপদেশ দিচ্ছি যে, তারা যেন আমার সেই নসীহত ভালোভাবে মনে রাখে, যা প্রায় ২৬ বছর যাবৎ আমি বক্তৃতা ও লেখনীর মাধ্যমে তাদের দিল-দেমাগে বদ্ধমূল করে আসছি। তা হল, তারা পরিপূর্ণরূপে এই ইংরেজ সরকারের আনুগত্য করবে। কেননা তারা আমাদের কল্যাণকামী সরকার। তাদের সাহায্য-ছায়ায় থেকেই আমাদের জামাতে আহমাদিয়া (কাদিয়ানী সম্প্রদায়) মাত্র কয়েক বছরে কয়েক লাখে পৌছে গেছে। -মাজমুয়ায়ে ইশতেহারাত ২/৭০৮, নতুন সংস্করণ, ৩/৫৮২ পুরাতন সংস্করণ
মির্যা কাদিয়ানীর এ বক্তব্যে একথা সুস্পষ্টরূপে ফুটে উঠেছে যে, কাদিয়ানী জামাত বৃটিশদের ছত্রছায়ায় ও তাদের সহযোগিতার মাধ্যমে সামনে অগ্রসর হয়েছে।