আমার দাবির ব্যাপারে সন্দেহ দূর হওয়া খুব সহজ
২ নভেম্বর ১৯০৪ ঈসাব্দতে পাঞ্জাবের সিয়ালকোটে ‘ইসলাম’ নামে মির্যা কাদিয়ানীর একটি লিখিত বক্তব্য পঠিত হয়। পরবর্তীতে তা ‘লেকচার সিয়ালকোট’ নামে প্রকাশিত হয়।
২ নভেম্বর ১৯০৪ ঈসাব্দতে পাঞ্জাবের সিয়ালকোটে ‘ইসলাম’ নামে মির্যা কাদিয়ানীর একটি লিখিত বক্তব্য পঠিত হয়। পরবর্তীতে তা ‘লেকচার সিয়ালকোট’ নামে প্রকাশিত হয়।
এছাড়া তার দাবির সত্যতা সম্পর্কে তাকে প্রশ্ন করা হলে সে বলে- میں کوئی نیا نبی نہیں۔ مجھ سے پہلے سینکڑوں نبی آچکے
মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী মৃত্যুর ঠিক আগ দিয়ে তার নবুওতের দাবির বিষয়টি খুব স্পষ্ট করে লিখে যায়, তাতে অস্পষ্টতার কিছু আর বাকি
পাঠক, এই উদ্ধৃতি ক’টি পড়ার পর নিশ্চয়ই আপনার অন্তরাত্মা প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে। হাঁ, কাদিয়ানী বিশ্বাসগুলো এভাবেই মুসলমানদের ঈমানের ভীতে আঘাত হানতে থাকে।
১. ইরতিদাদ মানে ইসলাম থেকে ফিরে যাওয়া। আর যানদাকা অর্থ মুখে মুখে মুসলিম হওয়ার দাবি থাকা সত্ত্বেও ইসলামের কোনো মৌলিক আকীদা অস্বীকার
الحمد لله وسلام على عباده الذين اصطفى. আমাদের অনেক ভাইয়ের মনেই প্রশ্ন, পৃথিবীতে কাদিয়ানীদের মতো অমুসলিম তো আরও কত আছে। ইহুদী, খ্রিস্টান,
কাফের তিন প্রকার : এক. যারা প্রকাশ্য কাফের। দুই. যারা ভেতরে ভেতরে কাফের, তবে প্রকাশ্যে নিজেকে মুসলমান বলে। তিন. যারা নিজের কুফরকে
সকল ইমাম এ বিষয়ে একমত, যিনদীক মুরতাদেরই একটি প্রকার। ইসলামী হুকুমতে মুরতাদের শাস্তি যেমন মৃত্যুদ- তেমনই ইসলামী হুকুমতে যিনদীকের শাস্তিও মৃত্যুদণ্ড। এখন
ভালোভাবে বুঝে নেওয়া উচিত, কাদিয়ানীরা কেন যিনদীক। কারণ তারা কাফের হওয়ার সাথে সাথে নিজেদের কুফরকে ইসলাম বলে। নিজেদের ব্যাপারে তারা বলে, ‘আমরা
কাদিয়ানীদের শত প্রজন্ম পরিবর্তন হলেও তারা যিনদীকই রয়ে যাবে। কারণ তাদের যে অপরাধ, অর্থাৎ কুফরকে ইসলাম আর ইসলামকে কুফর বলা, তাদের পরবর্তী