কাদিয়ানকে এ কারণে রক্ষা করা হয়েছে যে, সেখানে আল্লাহর প্রেরিত রাসূল ছিলেন
মির্যা কাদিয়ানীর আমলে যখন হিন্দুস্তানে প্লেগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় তখন সে এটাকে মোক্ষম সুযোগ হিসাবে লুফে নেয়। সে তখন রচনা করে ‘দাফেউল
মির্যা কাদিয়ানীর আমলে যখন হিন্দুস্তানে প্লেগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় তখন সে এটাকে মোক্ষম সুযোগ হিসাবে লুফে নেয়। সে তখন রচনা করে ‘দাফেউল
সে তার এ বইতে বলে, আল্লাহ নাকি সে সময়গুলোতে তার নিকট এভাবে খবর পাঠিয়েছেন (মূলত তার নিকট যা ওহী)- پھر اس کے
কাদিয়ান রাসূলের রাজধানী’ ‘দাফেউল বালা’-তে সে আগে আরো উল্লেখ করে خدا تعالی بہر حال جب تک کہ طاعون دنیا میں رہے گو
মির্যা কাদিয়ানীর একটি পুস্তিকা হচ্ছে ‘এক গলতি কা ইযালা’। বকশী বাজার থেকে এর অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে ‘একটি ভুল সংশোধন’ নামে। এই পুস্তিকাটি
কুরআনুল কারীমের ৪৮ নাম্বার সূরা, সূরা ফাত্হ। এ সূরার ২৮ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তাআলা আখেরী নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যাপারে
আমাকে রাসূল বলে সম্বোধন করা হয়েছে সে তার এ পুস্তিকায় আরো লেখে- "دنیا میں ایک نذیر آیا" اس کی دوسری قراءت یہ
তার এ বই ‘এক গলতি কা ইযালা’য় সে আরো লেখে- پس میں جب کہ اس مدت تک ڈیڑھ سو پیشگوئی کے قریب
২ নভেম্বর ১৯০৪ ঈসাব্দতে পাঞ্জাবের সিয়ালকোটে ‘ইসলাম’ নামে মির্যা কাদিয়ানীর একটি লিখিত বক্তব্য পঠিত হয়। পরবর্তীতে তা ‘লেকচার সিয়ালকোট’ নামে প্রকাশিত হয়।
এছাড়া তার দাবির সত্যতা সম্পর্কে তাকে প্রশ্ন করা হলে সে বলে- میں کوئی نیا نبی نہیں۔ مجھ سے پہلے سینکڑوں نبی آچکے
মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী মৃত্যুর ঠিক আগ দিয়ে তার নবুওতের দাবির বিষয়টি খুব স্পষ্ট করে লিখে যায়, তাতে অস্পষ্টতার কিছু আর বাকি