পাঠকের সমীপে
পাঠক, এই উদ্ধৃতি ক’টি পড়ার পর নিশ্চয়ই আপনার অন্তরাত্মা প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে। হাঁ, কাদিয়ানী বিশ্বাসগুলো এভাবেই মুসলমানদের ঈমানের ভীতে আঘাত হানতে থাকে।
পাঠক, এই উদ্ধৃতি ক’টি পড়ার পর নিশ্চয়ই আপনার অন্তরাত্মা প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে। হাঁ, কাদিয়ানী বিশ্বাসগুলো এভাবেই মুসলমানদের ঈমানের ভীতে আঘাত হানতে থাকে।
১. ইরতিদাদ মানে ইসলাম থেকে ফিরে যাওয়া। আর যানদাকা অর্থ মুখে মুখে মুসলিম হওয়ার দাবি থাকা সত্ত্বেও ইসলামের কোনো মৌলিক আকীদা অস্বীকার
الحمد لله وسلام على عباده الذين اصطفى. আমাদের অনেক ভাইয়ের মনেই প্রশ্ন, পৃথিবীতে কাদিয়ানীদের মতো অমুসলিম তো আরও কত আছে। ইহুদী, খ্রিস্টান,
কাফের তিন প্রকার : এক. যারা প্রকাশ্য কাফের। দুই. যারা ভেতরে ভেতরে কাফের, তবে প্রকাশ্যে নিজেকে মুসলমান বলে। তিন. যারা নিজের কুফরকে
সকল ইমাম এ বিষয়ে একমত, যিনদীক মুরতাদেরই একটি প্রকার। ইসলামী হুকুমতে মুরতাদের শাস্তি যেমন মৃত্যুদ- তেমনই ইসলামী হুকুমতে যিনদীকের শাস্তিও মৃত্যুদণ্ড। এখন
ভালোভাবে বুঝে নেওয়া উচিত, কাদিয়ানীরা কেন যিনদীক। কারণ তারা কাফের হওয়ার সাথে সাথে নিজেদের কুফরকে ইসলাম বলে। নিজেদের ব্যাপারে তারা বলে, ‘আমরা
কাদিয়ানীদের শত প্রজন্ম পরিবর্তন হলেও তারা যিনদীকই রয়ে যাবে। কারণ তাদের যে অপরাধ, অর্থাৎ কুফরকে ইসলাম আর ইসলামকে কুফর বলা, তাদের পরবর্তী
ফিলিস্তিন ও পবিত্র ভূমি মসজিদ আল-আকসাতে চলমান ঘটনাগুলো দেখে পুরো বিশ্বের মুসলিমরা ভীষণ ব্যথিত হয়। কিন্তু এই ব্যাপক আলোচিত বিষয়ে কাদিয়ানী সম্প্রদায়
খতমে নবুওয়ত আকীদা কী? ‘খতমে নবুওয়ত’ ইসলামী মৌলিক আকীদা-বিশ্বাসের একটি পরিভাষা। যার অর্থ নবুওয়তের সমাপ্তি তথা আল্লাহতাআলার পক্ষ থেকে নবী-রাসূল প্রেরণের যে
উপর্যুক্ত খতমে নবুওয়ত আকিদা ইসলামের সর্বসম্মত মৌলিক বিশ্বাস। ইসলামের শুরু থেকে অদ্যাবধি সকল মুসলমানের কাছে তা স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত। পক্ষান্তরে উপর্যুক্ত তিনটি