বৃটিশ সরকার খোদার রহমত!
বৃটিশ শাসনামলে উপমহাদেশে ইসলাম ও মুসলমানদের যে ক্ষতি হয়েছে তা কারো অজানা নয়। তারা জুলুম-অত্যাচারের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা লুণ্ঠন করেছে। মসজিদ-মাদরাসা ধ্বংস
বৃটিশ শাসনামলে উপমহাদেশে ইসলাম ও মুসলমানদের যে ক্ষতি হয়েছে তা কারো অজানা নয়। তারা জুলুম-অত্যাচারের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা লুণ্ঠন করেছে। মসজিদ-মাদরাসা ধ্বংস
যারা নিজেদের জান বাজি রেখে স্বদেশ প্রেমে উজ্জীবিত হয়ে বৃটিশ খেদাও আন্দোলন করেছে তাদেরকে আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। তাদের বীরত্ব উপমা হিসেবে
বৃটিশদের তোষণ করতে গিয়ে মির্যা কাদিয়ানী এ মিথ্যারও অবতারণা করেছে, তাকে নাকি এ বিষয়ে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে ইলহাম করা হয়েছে। তার
যাদের হাত লক্ষ মুসলমানের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল, যারা ভারতবর্ষের মুসলমানদের পশু ছাড়া অন্য কিছু গণ্য করত না, সেই বৃটিশ সরকারের মহারাণী ভিক্টোরিয়া,
মির্যা কাদিয়ানী বৃটিশ সরকারের সহায়তা ও তাদের সহযোগিতাকে রহমতের ছায়া আখ্যায়িত করেছে। এবং এই কারণে নিজের উপর তাদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা ওয়াজিব
সত্যি, অত্যাচারী বৃটিশের চাটুকারিতায় মির্যা কাদিয়ানীর কোনো জুড়ি ছিল না। না চাইতেই বৃটিশদের জন্য এত প্রশংসা-প্রার্থনা, স্তুতি-বন্দনা আর শব্দবাক্যের অবিরাম বর্ষণ! একদিকে
যেহেতু এ বিষয়টা সুপ্রমাণিত যে, কাদিয়ানী মতবাদ মূলত বৃটিশ সরকার কর্তৃক সৃষ্ট। যে মতবাদের মূল ভিত্তিই হচ্ছে, ভারতবর্ষে মুসলমানদেরকে বৃটিশ সরকারের গোলামী
মির্যা কাদিয়ানী আরও স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, তার দল মূলতঃ বৃটিশদেরই নুনখাওয়া দল। যারা বৃটিশদের অনুগ্রহে ও তাদেরই ছত্রছায়ায় প্রতিপালিত। লক্ষ্য করুন মির্যার
মির্যার উপরোল্লিখিত বক্তব্যসমূহের মধ্য দিয়ে প্রতীয়মান হয় যে, মির্যা কাদিয়ানী ও কাদিয়ানী সম্প্রদায় প্রকৃতপক্ষে বৃটিশদের-ই লাগানো চারা। মির্যা স্পষ্ট ভাষায় তা স্বীকারও
খতমে নবুওত সংরক্ষণ আন্দোলন : মক্তব কায়েম করুন হযরত প্রফেসর মুহাম্মাদ হামীদুর রহমান [২৭শে জুন, ২০২১ রবিবার, বাদ মাগরিব খতমে নবুওত মাদরাসা,