ভূমিকা
ভূমিকা খ্রিস্টীয় সপ্তদশ শতাব্দীতে আমাদের এ ভারত উপমহাদেশে সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজদের আগমন এবং বণিকের বেশে ধীরে ধীরে এখানকার শাসনক্ষমতায় আরোহণ, অতঃপর পর্যায়ক্রমে এ
ভূমিকা খ্রিস্টীয় সপ্তদশ শতাব্দীতে আমাদের এ ভারত উপমহাদেশে সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজদের আগমন এবং বণিকের বেশে ধীরে ধীরে এখানকার শাসনক্ষমতায় আরোহণ, অতঃপর পর্যায়ক্রমে এ
মির্যা কাদিয়ানীর নবুওয়ত দাবি মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী স্পষ্ট ভাষায় নবুওতের দাবি করেছে। কখনও বলেছে- “আমার দাবি হল, আমি নবী ও রাসূল।”
যুগে যুগে যখনই নবীগণ এসেছেন সমকালীন অত্যাচারী শক্তির মোকাবেলা করেছেন। তারা তাগুতের সামনে কখনো মাথা নত করেননি। বাতিলের সামনে হকের কালিমা বলতে
মির্যা কাদিয়ানী লিখেছে- “আমার জীবনের সিংহভাগ সময় কেটেছে এই ইংরেজ সরকারের সাহায্য ও তাদের সমর্থন কুড়িয়ে। আমি জিহাদের বিরুদ্ধে ও ইংরেজ সরকারের
বৃটিশ শাসনামলে উপমহাদেশে ইসলাম ও মুসলমানদের যে ক্ষতি হয়েছে তা কারো অজানা নয়। তারা জুলুম-অত্যাচারের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা লুণ্ঠন করেছে। মসজিদ-মাদরাসা ধ্বংস
যারা নিজেদের জান বাজি রেখে স্বদেশ প্রেমে উজ্জীবিত হয়ে বৃটিশ খেদাও আন্দোলন করেছে তাদেরকে আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। তাদের বীরত্ব উপমা হিসেবে
বৃটিশদের তোষণ করতে গিয়ে মির্যা কাদিয়ানী এ মিথ্যারও অবতারণা করেছে, তাকে নাকি এ বিষয়ে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে ইলহাম করা হয়েছে। তার
যাদের হাত লক্ষ মুসলমানের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল, যারা ভারতবর্ষের মুসলমানদের পশু ছাড়া অন্য কিছু গণ্য করত না, সেই বৃটিশ সরকারের মহারাণী ভিক্টোরিয়া,
মির্যা কাদিয়ানী বৃটিশ সরকারের সহায়তা ও তাদের সহযোগিতাকে রহমতের ছায়া আখ্যায়িত করেছে। এবং এই কারণে নিজের উপর তাদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা ওয়াজিব
সত্যি, অত্যাচারী বৃটিশের চাটুকারিতায় মির্যা কাদিয়ানীর কোনো জুড়ি ছিল না। না চাইতেই বৃটিশদের জন্য এত প্রশংসা-প্রার্থনা, স্তুতি-বন্দনা আর শব্দবাক্যের অবিরাম বর্ষণ! একদিকে