ইংরেজ সরকার কাদিয়ানীদের আশ্রয়স্থল
যেহেতু এ বিষয়টা সুপ্রমাণিত যে, কাদিয়ানী মতবাদ মূলত বৃটিশ সরকার কর্তৃক সৃষ্ট। যে মতবাদের মূল ভিত্তিই হচ্ছে, ভারতবর্ষে মুসলমানদেরকে বৃটিশ সরকারের গোলামী
যেহেতু এ বিষয়টা সুপ্রমাণিত যে, কাদিয়ানী মতবাদ মূলত বৃটিশ সরকার কর্তৃক সৃষ্ট। যে মতবাদের মূল ভিত্তিই হচ্ছে, ভারতবর্ষে মুসলমানদেরকে বৃটিশ সরকারের গোলামী
মির্যা কাদিয়ানী আরও স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, তার দল মূলতঃ বৃটিশদেরই নুনখাওয়া দল। যারা বৃটিশদের অনুগ্রহে ও তাদেরই ছত্রছায়ায় প্রতিপালিত। লক্ষ্য করুন মির্যার
মির্যার উপরোল্লিখিত বক্তব্যসমূহের মধ্য দিয়ে প্রতীয়মান হয় যে, মির্যা কাদিয়ানী ও কাদিয়ানী সম্প্রদায় প্রকৃতপক্ষে বৃটিশদের-ই লাগানো চারা। মির্যা স্পষ্ট ভাষায় তা স্বীকারও
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ থেকে অদ্যাবধি চলে আসা ঈমানবিধ্বংসী একটি মতবাদের নাম কাদিয়ানিয়াত বা কাদিয়ানীবাদ। এটি একটি জঘন্য এবং ভয়াবহ কুফুরী ফেতনা। ইসলামের
১৮৮০ সন থেকে মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে ময়দানে অবতীর্ণ হয়। তবে শুরুতেই সে সরাসরি নবুওত দাবির ধৃষ্টতা দেখানোর দুঃসাহস
একবার এক নবাব সাহেব এক কাদিয়ানীর নিকট মির্যা কাদিয়ানী সম্পর্কে কয়েকটি আপত্তি উত্থাপন করেন। এর একটি ছিল, মির্যা সাহেব তো রাসূল হবার
মির্যার একটি পুস্তক ‘হাকীকতুল ওহী’। এখানে সে তার ওহী ও নবুওতের বিষয়টি খুব জোরেসোরে এবং জাঁকজমকভাবে প্রমাণিত করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। যার ফলে
মির্যা কাদিয়ানী তার বই হাকীকতুল ওহীতে নিজেকে মাসীহ হিসাবে পেশ করে বলে- اوائل میں میرا یہی عقیدہ تھا کہ مجھ کو مسیح
মির্যা তার পুস্তক ‘নুযুলুল মাসীহ’-তে বলে- جس شخص کو خدا تعالی بصیرت عطا کرے گا وہ مجھے پہچان لےگا کہ میں مسیح
মির্যা তার পুস্তক ‘হাকীকাতুল ওহী’-তে আরো বলে- یہ بات ایک ثابت شدہ امر ہے کہ جس قدر خدا تعالی نے مجھ سےمکالمہ